শনিবার, ১৮ Jul ২০২৬, ০৪:০১ অপরাহ্ন
জলবায়ু পরিবর্তনের বিজ্ঞান নিয়ে শক্তিশালী বিবৃতি প্রকাশ করতে প্রস্তুত জাতিসংঘ। যেখানে সামনের দশকগুলোতে সমুদ্র, বরফের স্তর ও ভূমিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নিয়ে বিশদ আলোচনা থাকবে।
ইন্টারগভর্নমেন্ট প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ (আইপিসিসি) সংকলিত প্রতিবেদনটি সোমবার প্রকাশ হবে।
২০১৩ সালের পর বৈশ্বিক উষ্ণায়নের বিজ্ঞান নিয়ে এটি তাদের প্রথম কোনো বৈশ্বিক মূল্যায়ন।
আশা করা হচ্ছে, নভেম্বরে শুরু হতে যাওয়া আইপিসিসি বৈঠকে মূল্যায়নের সারাংশটি নীতিনির্ধারকদের জন্য প্রধান নথি হবে।
যুক্তরাজ্যের গ্লাসগোতে সিওপি২৬ নামের এ জলবায়ু সম্মেলনের জন্য জড়ো হবে সারা বিশ্বের রাজনীতিকেরা।
দুই সপ্তাহ ধরে বিজ্ঞানী ও ১৯৫ দেশের সরকারি প্রতিনিধিদের ভার্চ্যুয়াল আলোচনার পর আইপিসিসি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণ, প্রভাব ও সমাধান নিয়ে তিন পর্বের মূল্যায়নের প্রথমটি প্রকাশ করবে।
সরকারি কর্মকর্তাদের এমন উপস্থিতি আইপিসিসিকে অন্যান্য বিজ্ঞান সংস্থা থেকে আলাদা করেছে।
সোমবার নীতিনির্ধারকদের জন্য ৪০ পৃষ্ঠার সারাংশ প্রকাশ হবে। এরপর তারা এ নিয়ে বিজ্ঞানীদের সঙ্গে কাজ করবেন। সার সংক্ষেপ হলেও প্রতিবেদনটি জুতসই জায়গাগুলো ধরতে পেরেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
আইপিসিসির ওয়ার্কিং গ্রুপ থ্রির লেখক ও নেদারল্যান্ডসের আইন্ডহভেন ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির ড. হেলিন ডি কনিনক বলেন, “আমরা কয়েক মাস, এবং আসলে কয়েক বছর দেখেছি, জলবায়ু পরিবর্তন কীভাবে উদ্ভূত হচ্ছে; এটি সত্যিই আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে।”
অনেক পর্যবেক্ষকের মতে, কয়েক বছরে জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত বিজ্ঞানের অনেক অগ্রগতি হয়েছে। তার ছাপ পা্ওয়া যাবে এ প্রতিবেদনে।
সর্বশেষ ২০১৩ সালের প্রতিবেদনে আইপিসিসি বলেছিলেন, ১৯৫০ এর দশক থেকে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য মানুষ হলো ’প্রভাবশালী কারণ’।
আশা করা হচ্ছে, সমুদ্র, বায়ুমণ্ডল এবং গ্রহ সম্পর্কিত ব্যবস্থার অন্যান্য দিকগুলোর ওপর মানুষের কতটা প্রভাব ফেলছে এবার তার রূপরেখাও থাকবে আইপিসিসির প্রতিবেদনে।
এবারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সমুদ্রপৃষ্ঠের বৃদ্ধি নিয়ে। আইপিসিসির জন্য এটি দীর্ঘদিন ধরে একটি বিতর্কিত সমস্যা। তাদের আগের অনুমানগুলো খুব বেশি রক্ষণশীল বলে কিছু বিজ্ঞানী প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।